আলোচিত সংবাদ

মুখে স্নিগ্ধ হাসি, চোখে তার চির অন্ধকার

পাঁচ বছরের শিশু আল-আমিন। হাসি যেন তার নিত‌্যসঙ্গী। চোখে পৃথিবী জয়ের স্বপ্ন থাকলেও সে নিরুপায়। কারণ জন্মের পর থেকেই পৃথিবী তার কাছে অন্ধকার। চিকিৎসক বলছেন, উন্নত চিকিৎসায় আলো ফিরবে আল-আমিনের চোখে।

আল-আমিনের বাড়ি মাগুরা শহরের দরি মাগুরা কারিকর পাড়ায়। দিনমজুর হেলাল হোসেন ও হাসিনা বেগমের একমাত্র সন্তান সে। দরিদ্র হেলাল যেখানে সংসার চালাতেই হিমশিম খায়, সেখানে সন্তানের চিকিৎসার টাকা জোগাড় তো অলিক কল্পনা।আল-আমিনের বাবা হেলাল হোসেন বলেন, ছোটবেলায় বাবা-মাকে হারিয়ে ভবঘুরে জীবন কাটিয়েছি। এক সময় মাগুরা শহরের দরি মাগুরা এলাকার আরেক দরিদ্র পরিবারের মেয়ে হাসিনা বেগমকে বিয়ে করি।

‘বিয়ের আট বছর পর ২০১৬ সালে আল-আমিনের জন্ম। কিন্তু এ জন্মের আনন্দ স্থায়ী হলো না। জন্মের পরই ডাক্তার বলেন, তার চোখের মনির ওপর একটি পুরু সাদা স্তর।’তবে আল-আমিন চোখে আলোর অস্তিত্ব টের পায়। ঘরে বিদ্যুৎ চলে গেলে সে বুঝতে পারে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, উন্নত চিকিৎসায় হয়তো আল-আমিন চোখের জ্যোতি ফিরে পেতে পারে। এজন্য কমপক্ষে ২ লাখ টাকা প্রয়োজন।

আল-আমিনের মা হাসিনা বেগম বলেন, আমার ছেলেটা কী সুন্দর হাসে! ওর হাসি দেখলে নিজের কলিজা বিক্রি করে চিকিৎসা করাতে ইচ্ছে করে। ছেলেটির চিকিৎসার জন্য যদি কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি এগিয়ে আসতো, কৃতজ্ঞ থাকতাম। এদিকে, মাগুরা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আব্দুল্লাহ-আল-কাফি বলেন, শিশুটি জন্মগত অন্ধত্বের শিকার। এর উন্নত চিকিৎসা ব্যয়বহুল। তবে সে যেহেতু আলো দেখতে পায়, সেহেতু চিকিৎসা করলে চোখের জ্যোতি ফিরে পেতে পারে।

শিশু আল-আমিনের চোখের জ্যোতি ফিরিয়ে আনতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষের সহায়তা চেয়েছে তার পরিবার।আল-আমিনের চিকিৎসায় বিকাশ, নগদ বা ব‌্যাংক অ‌্যাকাউন্টে অর্থ পাঠাতে পারেন।

বিকাশ ও নগদ: ০১৭৯৪-২১৫০৩২।

ব‌্যাংক অ‌্যাকাউন্ট নম্বর: ০২০০০১৭৫৫৩০৫৪, অগ্রণী ব্যাংক, মাগুরা ভায়নার মোড় শাখা।

Related Articles

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!