আলোচিত সংবাদ

আমি রুমমেট ছিলাম, এটাই আমা’র অ’প’রাধ!

আমি নি’র্দোষ। আমি নি’র্দোষ হবো। কেন আমা’র মৃ’ত্যুদ’ণ্ড হবে? আমা’র কি দোষ?? এভাবেই চি’ৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে কথাগুলো বলছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ রাব্বী হ’ত্যাকা’ণ্ডের মৃ’ত্যুদ’ণ্ডপ্রাপ্ত আ’সামি মিজানুর রহমান মিজান। তিনি আবরারের রুমমেট ছিলেন।

শি’বির স’ন্দেহে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরারের বি’রুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অ’ভিযোগ এনে নি’র্মম এবং নিষ্ঠুরভাবে তাকে হ’ত্যা করা হয়েছে, যা দেশের মানুষকে ব্যথিত করেছে।বুধবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কাম’রুজ্জামান আবরার হ’ত্যা মা’মলার রায় ঘোষণা করেন। আ’দালত ২০ আ’সামিকে মৃ’ত্যুদ’ণ্ড ও পাঁচ আ’সামিকে যাব’জ্জীবন কারাদ’ণ্ড দেন। দ’ণ্ডপ্রাপ্ত ২০ আ’সামির মধ্যে মিজানুর রহমান মিজান একজন।

রায় শেষে যখন এজলাস থেকে কারাগারে নিতে প্রিজন ভ্যানে দ’ণ্ডপ্রাপ্ত ২০ আ’সামিকে ওঠানো হচ্ছিলো তখন হঠাৎ করেই চি’ৎকার করে কা’ন্নাজনিত কণ্ঠে মিজান বলছিলেন, ‘আমি আবরারের রুমমেট ছিলাম, এটাই আমা’র অ’প’রাধ। জজ রায় পড়া শেষে নিজে বলেছেন, মিজানের বি’রুদ্ধে আনিত অ’ভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তাহলে কেন আমাকে মৃ’ত্যুদ’ণ্ড দেওয়া হবে? সেখানে সাংবাদিক, আইনজীবীরা ছিলেন, সবাই শুনেছেন আমা’র বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগে কোনো প্রমাণ পায়নি। আমি নি’র্দোষ ছিলাম, আমি নি’র্দোষ হবো।

তিনি কাঁদতে কাঁদতে আরও বলছিলেন, আমা’র পরিবারকে দেখার মতো কেউ নেই। কি হবে এখন। আমি পরিবার নিয়ে বাঁচতে চাই। এ সময় আ’দালত প্রাঙ্গণে অনেকেই চোখের পানি মুছতে দেখা গেছে। সকাল থেকেই আদলত প্রাঙ্গণে ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা।সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আ’সামিদের আ’দালতের গারদখানায় রাখা হয় এবং দুপুর ১২টা নাগাদ এজলাসে উঠানো হয়।

রায় শেষে একদিকে যেমন আবরারের বাবা ভি চিহ্ন দেখান। অন্যদিকে দ’ণ্ডপ্রাপ্ত আ’সামিদের আত্মীয়দের আহাজারি করতে দেখা যায়।এ সময় আ’দালত এলাকায় আইনজীবী, সাংবাদিক ও আ’সামিদের আত্মীয় স্বজনে প্রায় পরিপূর্ণ ছিল।

Related Articles

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!