আলোচিত সংবাদ

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে জাপানি মায়ের আপিল, লড়বেন সব বাঘা আইনজীবী

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক ইমরান শরীফ ও জাপানি নাগরিক ডা. এরিকো নাকানোর দুই শিশু কন্যাকে নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করেছেন শিশুদের মা নাকানো এরিকো।

আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় রোববার (৫ ডিসেম্বর) এই আবেদন (সিএমপি) করা হয় বলে জানান আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আপিল শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রোববারের (১২ ডিসেম্বর) কার্যতালিকায় রাখা হয়েছে মামলাটি। এ বিষয়ে রোববার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, আপিল বিভাগে উভয়পক্ষে শুনানি করবেন দেশের বাঘা বাঘা আইনজীবীরা। দুই শিশু কন্যাকে নিজের কাছে নেওয়ার জন্য জাপানি মা নাকানো এরিকোর করা আপিলের বিষয়ে তার পক্ষে শুনানি করবেন ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি ও অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম। তাদের সহযোগিতা করবেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। অপরদিকে বাংলাদেশি বাবা ইমরান শরীফের পক্ষে লড়বেন প্রখ্যাত আইনজীবী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ফিদা এম কামাল ও অ্যাডভোকেট ফাওজিয়া করিম।

গত ২১ নভেম্বর ইমরান শরীফ ও ডা. এরিকো নাকানো দম্পতির দুই কন্যাকে বাংলাদেশে তার বাবার জিম্মায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। তবে, জাপানি মা চাইলে ১০ দিন করে বছরে ৩০ দিন দেখা করতে এবং তাদের সঙ্গে একান্তে অবস্থান করতে পারবেন। এছাড়া শুনানি শেষে তিনজনের মধ্যে সবার ছোট কন্যাকে জাপান থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য বাবা ইমরান শরীফের করা রিটটিও খারিজ করে দেন আদালত। তবে তাদের মায়ের করা রিট চলবে বলেও আদেশ দেন আদালত।

সন্তানদের জিম্মা নিয়ে করা রিটের শুনানি শেষে রায়ের নির্ধারিত দিনে হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ দুই শিশুকে নিয়ে দেওয়া রায়ে বলেন, যেহেতু মা জাপানি নাগরিক, সেখানে তার বসবাস ও কর্মস্থল, সে কারণে তিনি তার সুবিধামত সময়ে বাংলাদেশে এসে শিশুদের সঙ্গে প্রতিবার কমপক্ষে ১০ দিন একান্তে সময় কাটাতে পারবেন।

এক্ষেত্রে বছরে তিনবার বাংলাদেশে তার যাওয়া-আসাসহ ১০ দিন অবস্থানের যাবতীয় খরচ শিশু দুটির বাবাকে বহন করত হবে। তবে, এর চেয়ে অতিরিক্ত যাওয়া-আসা বা বাংলাদেশে অবস্থানের ক্ষেত্রে খরচ মা নিজেই বহন করবেন। এছাড়া বাবা মাসে কমপক্ষে দুইবার শিশু সন্তানদেরকে ভিডিও কলে মায়ের সঙ্গে কথা বলার ব্যবস্থা করে দেবেন। আর গত কয়েক মাস বাংলাদেশে অবস্থান ও যাতায়াত বাবদ ওই মাকে ১০ লাখ টাকা সাতদিনের মধ্যে দিতে শিশুদের বাবার প্রতি নির্দেশ দেন আদালত। এছাড়া সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তাকে ওই শিশুদের দেখভাল অব্যাহত রাখতে এবং প্রতি তিন মাস পর পর শিশুদের বিষয়ে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার বরাবর প্রতিবেদন দিতে হাইকোর্ট নির্দেশ দেন।

অন্যদিকে, জাপানে থাকা এদের আরেক মেয়েকে হাইকোর্টে হাজিরের নির্দেশনা চেয়ে ইমরান শরীফের করা রিটটি খারিজ করে দেন আদালত। আদেশে আদালত বলেন, রিটটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত যেকোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের আদেশ প্রতিপালিত না হলে বা অন্য কোনো আদেশের প্রয়োজনে তারা আদালতে আসতে পারবেন। আদালতের রায়ের বিষয়ে ওইদিন ফাউজিয়া করিম ফিরোজ ও মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, মা দেখা-সাক্ষাৎ ও একান্তে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন। যেহেতু এরিকো নাকানো জাপানি নাগরিক এবং সেখানে কর্মরত, তাই তিনি প্রতি তিনমাস প

Related Articles

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!