আলোচিত সংবাদ

আরসা নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ

আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা) নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘আমরা দেখতে চাই কারা কারা আরসা। যদি জাতিসংঘের প্রতিনিধি আরসার অবস্থানের কথা বলে থাকেন, তবে তারা প্রমাণ করে দিক। এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, দেশের কোথাও আরসার অবস্থান নেই। তাদের কখনও বাংলাদেশে দেখা যায়নি।

মিয়ানমার সম্পর্কিত জাতিসংঘের বিশেষ দূত ‘কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলো পরিদর্শন শেষে আরসা আছে’ বলে যে দাবি করেছেন তার জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। রোববার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমরা দেশে আরসা দেখিনি। কেউ তাদের কখনও দেখেনি। এখন কেউ যদি বলে, এখানে আরসা আছে, তবে তাদেরকেই তা প্রমাণ করতে হবে। কারা আরসার নেতা-কর্মী তা দেখিয়ে দিতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বহিরাগত প্রবেশ ঠেকাতে পদক্ষেপ নিচ্ছি। ক্যাম্পে যত্রতত্র ঘোরাঘুরি বন্ধের চেষ্টাও করছি। এটা আবার তারা পছন্দ করছেন না।’

তিনি বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থার যুক্তিহীন দাবি জানিয়ে বলেন, ‘তারা অনেকে রোহিঙ্গাদের অবাধ ঘোরাঘুরির সুযোগ চান। দেশীয় নাগরিকদের মতোই তাদের মবিলিটি চায়, জিরো ডিসক্রিমিনেশন চায়। এমনকি চাকরির সুযোগ চায়। আমরা তাদের দেশে অবাধ চলাফেরা করতে দিতে রাজি নই। বিভিন্ন বিদেশি সংস্থা বা জাতিসংঘ যদি রোহিঙ্গাদের এর চেয়ে উন্নত জীবন দিতে চায়, তাহলে তারা তাদের নিয়ে যাক।

এসময় মন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা নিজেদের স্বার্থে রোহিঙ্গাদের দেরিতে ফেরাতে চাচ্ছে। কারণ রোহিঙ্গারা যেতে যত বিলম্ব করবে তাদের ততই লাভ। কিন্তু আমাদের কাছে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

এর আগে রোববার (১৯ ডিসেম্বর)পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতিবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত টম অ্যান্ড্রুজ। তিনি অসংখ্য প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (এফডিএমএন) অস্থায়ী আশ্রয় দেয়ার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

Related Articles

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!