আলোচিত সংবাদ

চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে যারা বিজয়ী হলেন,একনজরে দেখেনিন!

বিচ্ছিন্ন সহিংসতার মধ্য দিয়ে দেশের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় শেষ হয়। ভোট গণনা শেষে রাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

এই ধাপে ৩৮টি ইউপিতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এবং বাকিগুলোতে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। সারাদেশ থেকে পাঠানো প্রতিনিধিদের রিপোর্ট।ঠাকুরগাঁও ঠাকুরগাঁওয়ে এবার ১৪টিতে নৌকা মার্কার প্রার্থী ও ৬টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। বিজয়ী হয়েছেন যারা তারা হলেন, গড়েয়া-রইছউদ্দিন সাজু (নৌকা), বেগুন বাড়ি-বনি আমীন (নৌকা), নারগুন-শেরেকুল ইসলাম (নৌকা), মোহাম্মদপুর-মোঃ সোহাগ (নৌকা), রায়পুর-নূরুল ইসলাম (নৌকা), আউলিয়াপুর-আতিকুর রহমান (নৌকা), রুহিয়া-মমিনুল ইসলাম বাবু (নৌকা),

রুহিয়া পশ্চিম-অনিল চন্দ্র সেন (নৌকা), আখানগর- রোমান বাদশা (নৌকা), রাজাগাও-খাদেমুল ইসলাম (নৌকা), ঢোলার হাট- অখিল চন্দ্র রায় (নৌকা), শুখান পুখুরী-আনিসুর রহমান (নৌকা), জগন্নাথপুর-মোস্তাফিজুর রহমান লিটন (স্বতন্ত্র) বালিয়া- জুলফিকার আলী ভূট্টু (স্বতন্ত্র), সালন্দর-ফজলে এলাহী মুকুট চৌধুরী (স্বতন্ত্র), আকচা-সুব্রত কুমার বর্মন (নৌকা), রহিমানপুর-আব্দুল হান্নান হান্নু (স্বতন্ত্র) চিলারং-ফজলুল হক (স্বতন্ত্র), দেবীপুর-মোয়াজ্জেম হোসেন (নৌকা), জামালপুর-এসএম মোস্তাক (স্বতন্ত্র) প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন।

প্রিজাইডিং অফিসাররা বলেন- অনেক সুষ্ঠু পরিবেশে আমরা ভোট গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছি। উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে সদর উপজেলার ২০টি ইউনিয়নে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ৯৬০ জন। চেয়ারম্যান পদে ৭৩ জন, সংরক্ষিত মহিলা আসনে ২০৯ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৬৭৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য মতে, সদর উপজেলার ২০টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৪৩৩ জন।

এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৬ হাজার ৯৮৮ ও নারী ভোটার ১ লাখ ৮২ হাজার ৪৪৫ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১৮৮টি।বগুড়া বগুড়া সদর, কাহালু এবং নন্দীগ্রাম উপ‌জেলার ১৩‌টি ইউ‌নিয়‌নে সুষ্ঠুভা‌বে ভোটগ্রহণ অনু‌ষ্ঠিত হ‌য়ে‌ছে। রোববার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনু‌ষ্ঠিত হয়। ইউ‌নিয়ন গু‌লোর মাঝে শুধুমাত্র বগুড়া সদ‌রের এরু‌লিয়া ইউ‌নিয়‌নে ই‌ভিএ‌মে ভোটগ্রহণ অনু‌ষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শে‌ষে গণনার পর রাত ৮টায় বগুড়া জেলা নির্বাচন অ‌ফিস সূ‌ত্রে ভো‌টের বেসরকা‌রি ফলাফল পাওয়া যায়।

ফলাফ‌লে ১৩ টি ইউ‌নিয়‌নের মধ্যে ৩টি ইউনিয়নে নৌকা মার্কার প্রার্থী চেয়ারম‌্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া ২‌টি ইউ‌নিয়‌নে আওয়ামী লী‌গের বি‌দ্রোহী প্রার্থী জয়লাভ ক‌রে‌ছেন। বাকী ৮‌টি ইউ‌নিয়‌নে নির্বাচিত হ‌য়ে‌ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।নন্দীগ্রাম উপজেলায় ৪টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনু‌ষ্ঠিত হ‌য়ে‌ছে। এর ম‌ধ্যে ভাটরা ইউনিয়ন থে‌কে আওয়ামীলীগের প্রার্থী মোরশেদুল বারী নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া নন্দীগ্রাম সদর ইউনিয়নে বিএনপির সমর্থক রেজাউল করিম কামাল আনারস প্রতীকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নে বিএনপির সমর্থক আব্দুল মতিন নির্বাচিত হয়েছেন। ভাটগ্রাম ইউনিয়ন যুবদল নেতা আবুল কালাম আজাদ নির্বাচিত হয়েছেন।

কাহালু উপজেলার ৮ ইউ‌নিয়‌নে দুই‌টি‌তে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয়লাভ ক‌রে‌ছেন। তারা হ‌লেন, জামগ্রাম ইউ‌নিয়‌নে মনোয়ার হোসেন, পাইকড় ইউ‌নিয়‌নে মিঠু চৌধুরী। ২‌টি‌তে আওয়ামী লী‌গের বি‌দ্রোহী জয়লাভ ক‌রে‌ছেন। তারা হ‌লেন, নারহট্ট ইউনিয়নে আব্দুর রহিম, কাহালু সদরে পিএম বেলাল। বাকী ৪ ইউ‌নিয়‌নে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বা‌চিত হ‌য়ে‌ছেন। তারা হ‌লেন, মুরইল ইউনিয়নে জামায়াত নেতা আব্দুল জলিল, মালঞ্চায় বিএনপি নেতা নেছার উদ্দিন, কালাই ইউ‌নিয়‌নে বিএনপি নেতা জোবাইদুল হোসেন সবুজ, বীরকেদার ইউ‌নিয়‌নে বিএনপি নেতা সেলিম উদ্দিন। এছাড়া বগুড়া সদরের এরুলিয়া ইউনিয়নে বিএনপির আতিকুর রহমান আতিক চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

ফরিদপুর ফরিদপুরে বোয়ালমারী উপজেলায় ১০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনু্ষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৬ ডিসেম্বর) শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। তবে কোন ধরনের অসঙ্গতিপূর্ণ ঘটনা ঘটেনি। এ নির্বাচনে ১০ টির মধ্যে মাত্র একটি ইউনিয়নে আ’লীগের মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তিনি হলেন শেখর ইউনিয়নের কামাল আহমেদ। অন্য ইউনিয়নগুলোর মধ্যে তিনটিতে বিএনপি, একটিতে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। বাকি পাঁচ ইউনিয়নে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছেন গুনবহা ইউনিয়নে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. সিরাজুল ইসলাম,

রূপাপাত ইউনিয়নে বিএনপির সমর্থক মো. মিজানুর রহমান সোনা (আনারস), সাতৈর ইউনিয়নে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রাফিউল আলম মিন্টু (চশমা), ময়নায় ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মো. আব্দুল হক মৃধা (হাতপাখা)। এছাড়া আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা যেসব ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন-পরমেশ্বরদী ইউনিয়নে ইউপি আ’লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকে সদ অব্যাহতিপ্রাপ্ত মান্নান মাতুব্বর (ঘোড়া), দাদপুরে ইউনিয়নে ইউপি আ’লীগের প্রচার সম্পাদক থেকে সদ্য অব্যাহতিপ্রাপ্ত মো. মোশাররফ হোসেন (ঘোড়া), ঘোষপুর ইউনিয়নে ফরিদপুর কোতোয়ালি স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত মো. ইমরান হোসেন নবাব (আনারস), বোয়ালমারী ইউনিয়নে ইউপি যুবলীগের সভাপতি আব্দুল হক (মোটরসাইকেল) এবং চতুল ইউনিয়নে উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক পদ থেকে সদ্য অব্যাহতিপ্রাপ্ত মো. রফিকুল ইসলাম (চশমা)।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায় , নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫৫ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৩৫১ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১১৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রেজাউল করিম বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক হয়েছে। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট প্রদান করেছে। আলফাডাঙ্গা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের নির্বাচনে পাঁচুড়িয়া ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী সরদার মিজানুর রহমান, টগরবন্দ ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী মো. আসাদুজ্জামান এবং বানা ইউনিয়নে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শরীফ হারুন অর রশিদ বিজয়ী হয়েছেন।লালমনিরহাট লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় ১১০ টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হয় যা বিরতিহীন ভাবে চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত । শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত এ ভোটে আওয়ামীলীগ সমর্থিত নৌকা প্রতিক নিয়ে ৯ জন ও ৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে। উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নে আবু হেনা মোস্তফাজামান সোহেল (নৌকা), গড্ডিমাড়ি ইউনিয়নে অধ্যক্ষ আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল(নৌকা), সিংগীমাড়ী ইউনিয়নে মানোয়ার হোসেন দুলু(নৌকা), টংভাঙ্গা ইউনিয়নে সেলিম হোসেন (নৌকা), সিন্দূর্ণা ইউনিয়নে খতিব উদ্দিন (স্বতন্ত্র), পাটিকাপাড়া ইউনিয়নে মজিবুল আলম সাহাদাৎ (নৌকা)।

এছাড়াও ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নে এ্যাডভোকেট মশিউর রহমান (নৌকা), নওদাবাস ইউনিয়নে ফজলুল হক (নৌকা), ফকিরপাড়া ইউনিয়নে ফজলার রহমান খোকন (স্বতন্ত্র) ভেলাগুড়ী ইউনিয়নে শফিকুল ইসলাম মন্ডল (নৌকা), সানিয়াজান ইউনিয়নে আবুল হোসেন তালুকদার (নৌকা), এবং গোতামাড়ী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোনা বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে।মাকিগঞ্জ চতুর্থ ধাপের ইউপি (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচনে মাকিগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলা ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকে জয় লাভ করেছেন ৩ জন, আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী ২জন ও বিএনপি ঘড়ানার ২ জন। সাটুরিয়া উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬টিতে নৌকা প্রতীকে জয়লাভ করেছে, আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী ২জন ও ১জন বিএনপি ঘড়ানার জয়লাভ করেছেন।ঘিওর উপজেলার নির্বাচিতরা হলেন বড়টিয়া ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের প্রার্থী সামসুল আলম মোল্লা রওশন, নালী ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস মৃধা ও পয়লা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার হারুণ-অর-রশীদ, ঘিওর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান মো. অহিদুল ইসলাম টুটুল, সিংজুরী ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবু মো.আসাদুর রহমান মিঠু, বানিয়াজুরীতে বিএনপি ঘড়ানার এসআর আনসারি বিল্টু, বালিয়াখোড়া ইউনিয়নে বিএনপি ঘড়ানার বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আওয়াল খান ।

সাটুরিয়া উপজেলার নির্বাচিতরা হলেন ধানকোড়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল রউফ, তিল্লী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে শরীফুল ইসলাম, হরগজ ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে বর্তমান চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খান, দিঘুলিয়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে সফিউল আলম, দরগ্রাম ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে আলীনুর বকস্, সাটুরিয়া ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান নৌকা প্রতীকে আনোয়ার হোসেন, বালিয়াটিতে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী মীর সোহেল আহম্মেদ চৌধুরী, বরাঈদ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী কাজী মোঃ আব্দুল হাই ও ফকুরহাটি ইউনিয়নে বিএনপি ঘড়ানার মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান।সাতক্ষীরা চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ৯টি ও তালা উপজেলার একটিসহ ১০ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের তিনজন ও বাকী সাত ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ভোটগণনা শেষে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। শ্যামনগর উপজেলার ৯ ইউনিয়নের মধ্যে দুটিতে আওয়ামী লীগ, সাতটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। তালা উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।

নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা হলেন- শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী গাজী আনিছুজ্জামান আনিচ, নুরনগর ইউনিয়নে নৌকার প্রতীকের প্রার্থী বখতিয়ার আহমেদ, কৈখালীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রহিম, দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরায় স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা জি এম মাসুদুল আলম, বুড়িগোয়ালীনি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াত সমর্থিত হাজী নজরুল ইসলাম, রমজাননগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী শেখ আল মামুন, পদ্মপুকুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা মো. আমজাদুল ইসলাম, আটুলিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী আবু সালেহ ও মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অসীম কুমার মৃধা। এদিকে তালা উপজেলার কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শেখ আজিজুর ইসলাম জয়লাভ করেছেন।

নরসিংদী নরসিংদীর পলাশ উপজেলার দুটি ও মনোহরদী উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মোট ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে চারটিতে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) ও সাতটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বিজয়ীরা হলেন- পলাশ উপজেলার জিনারদীতে কামরুল ইসলাম গাজী (নৌকা), চরসিন্দুর ইউনিয়নে মোফাজ্জল হোসেন রতন (নৌকা), মনোহরদী উপজেলার চন্দনবাড়িতে আব্দুর রউফ হিরন(নৌকা), শুকুন্দিতে সাদিকুর রহমান শামীম (নৌকা), কাচিকাটায় মোবারক হোসেন খান কনক (স্বতন্ত্র), বড়চাপায় এম সুলতান উদ্দিন (নৌকা), লেবুতলায় জাকির হোসেন আকন্দ (নৌকা), গোতাশিয়ায় আবুল বরকত রবিন (স্বতন্ত্র), দৌলতপুরে শরীফ মাহমুদ খান বাহালুল (স্বতন্ত্র), চালাকচরে ফখরুল মান্নান মুক্তু (নৌকা) এবং একদুয়ারিয়া ইউনিয়েনে মোল্লা রফিকুল ইসলাম ফারুক (স্বতন্ত্র)।নেত্রকোনা চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে নেত্রকোনার সদর, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরী উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের ৮টিতে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা (নৌকা)। আর বাকি ৪টিতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচিত হন। রোববার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুল লতিফ শেখ বেসরকারিভাবে ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মোহনগঞ্জের ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬টিতে নৌকার প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। আর একটিতে বিদ্রোহী প্রার্থী জয়লাভ করেন।

Related Articles

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!